মেনু নির্বাচন করুন

ছবিতে জেলা ব্র্যান্ডিং


বিস্তারিত


আমাদের এই সুপরিচিত ফেনী জেলার আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইতিহাসের অসংখ্য উপাদান, রয়েছে বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যমন্ডিত নিদর্শন এবং রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল বিজয়ের স্বাক্ষী। এক সময় এই জনপদে মানুষের বেঁচে থাকার নিত্যকার সঙ্গী ছিল দীঘি। দীঘির উপর মানুষের এই নির্ভরতার গুরুত্ব উপলব্ধি করে তৎকালীন শাসকেরা নিজেদের জনপ্রিয়তা বাড়াতে নির্মাণ করেছেন অসংখ্য সুবিশাল দীঘি। ফেনীকে তাই দীঘির জনপদ বলা হলে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। রাজাঝির দীঘি, বিজয় সিং দীঘি, শমসের গাজী দীঘি, কৈয়ারা দীঘি প্রমুখ এরকমই কিছু দীঘির উদাহরণ। সাগর বিধৌত এ অঞ্চলের সুপেয় পানির একমাত্র উৎস হিসেবে সুউচ্চ পাড় ঘেরা বিশাল আকারের দীঘিসমূহ খনন করা হয় যাতে কোনোভাবে দীঘিতে নোনাজল প্রবেশ করতে না পারে। কালের আবর্তে অধিকাংশ দীঘির পাড় কেটে সমান করে এখন মানুষ বসতি স্থাপন করেছে। তবুও কিছু নমুনা আজও আছে বিজয়সিংহ কিংবা শমসের গাজীর দীঘিতে। রয়েছে শত বছরের পুরোনো মসজিদ ও মন্দির। শর্শদীর ফখরুদ্দিন শাহী মসজিদ, ছাগলনাইয়ার চাঁদগাজী ভূঞা মসজিদ, দাগনভূঞার চৌধুরী বাড়ী মসজিদ, ফুলগাজীর দোল মন্দির, ছাগলনাইয়ার সাত মন্দির প্রমূখ। আরো রয়েছে অসংখ্য দৃষ্টিনন্দন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ভরপুর স্থাপনা। এইসব স্থাপনা জনপদ হিসেবে ফেনীর অতীত সমৃদ্ধির সাক্ষ্য বহন করে। এসকল স্থাপনা ছুটির দিনে পর্যটকদের সময় কাটানোর জন্য হতে পারে উৎকৃষ্টতম স্থান। সোনাগাজীর মুহুরী সেচ প্রকল্প, বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প এরকম কিছু নান্দনিক স্থাপনার উদাহরণ। ফেনী, মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া, ছোট ফেনী ও কালিদাস- পাহালিয়া নদী ফেনী জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে। তবে মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া ও কালিদাস- পাহালিয়া নদী এক স্থানে মিলিত হয়ে ফেনী নদীতে মিশে গেছে। ফেনী জেলায় রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিলোনীয়া সীমান্ত ও এর আশেপাশের অঞ্চলে সংগঠিত হয় অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ। এসব যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় নতুন উদ্যমে জাগিয়ে তোলে পুরো দেশবাসিকে। বিলোনীয়ার সলিয়া বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ স্বাক্ষী। শুধু ফেনী নয় বাংলাদেশকে চিনতে হলে আমাদের শেকড়কে জানতে হলে ঘুরে আসতে হবে সলিয়া যেখানে এক সম্মুখ সমরের মধ্যে দিয়ে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ মুক্ত হয়েছিল ফেনী। বিলোনীয়ার সম্মুখ সমরের রণকৌশল বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীসহ  পৃথিবীর অনেক দেশেই সম্মুখ সমরের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে পাঠ্য। এ সকল পর্যটন আকর্ষণ ফেনীকে দেশবাসীর কাছে তুলে ধরতে পারে সম্পূর্ণ ভিন্নরূপে।


জেলা ব্র্যান্ডিং এর কর্মপরিকল্পনা


ফেনী জেলা-ব্র্যান্ডিং

 

মুহুরী বাঁধ

 

১. ভূমিকা

বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সুখী ও সমৃদ্ধ দেশ গঠনের পথ পরিক্রমায় ফেনী জেলার স্বাতন্ত্র্য সম্ভাবনাকে বিকশিত করাই ‘জেলা-ব্র্যান্ডিং’ এর মূল উদ্দেশ্য। নদী বিধৌত বাংলাদেশের  একটি জেলা ফেনী। এ জেলার মোট আয়তন ৯২৮.৩৪ বর্গ কিলোমিটার। ফেনী, মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া, ছোট ফেনী ও কালিদাস- পাহালিয়া নদী ফেনী জেলার উপর দিয়ে বয়ে গেছে। তবে মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া ও কালিদাস- পাহালিয়া নদী এক স্থানে মিলিত হয়ে ফেনী নদীতে মিশে গেছে। একটা সময় উপর্যুপরি ভয়াবহ বন্যা, সমুদ্রের লোনা পানি প্রবেশ, পর্যাপ্ত সেচ সুবিধার অভাবের ফলে ফেনী জেলার ক্ষয়ক্ষতি ছিল সীমাহীন। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে ও নদী শাসনের জন্য ফেনী নদীর নিম্ন অববাহিকায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বেড়ীবাঁধ ও রেগুলেটর বসানো হয় এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ, লবণাক্ততা প্রতিরোধ, শুষ্ক মৌষুমে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা দেয়া, মৎস্য চাষ, ভূমি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে মুহুরী সেচ প্রকল্প তৈরী করা হয়। পঞ্চ নদীর মুহুরী বাঁধ পরবর্তীতে ফেনী জেলার জনগণের জন্য আশীর্বাদ হয়ে আসে। মুহুরী বাঁধের কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রিত হয়, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পায়, ভূমি পুনরুদ্ধার শুরু হয়, লবণাক্ততা কমে যায় ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। মুহুরী বাঁধ ছাড়া ফেনীর সমৃদ্ধি অকল্পনীয়। তাই ‘পঞ্চ নদীর মুহুরী বাঁধ, ফেনী জেলার আশীর্বাদ’ এই ট্যাগ লাইন নিয়ে ফেনী জেলার ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় হিসেবে ‘মুহুরী বাঁধ’ কে নির্ধারণ করা হয়েছে।

২. মুহুরী বাঁধ

২.১ অবস্থান

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মাঝামাঝি মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া, কালিদাস- পাহালিয়া ও ফেনী এ পাঁচটি নদীর নিম্ন অববাহিকায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে মুহুরী বাঁধ এর অবস্থান।

২.২ পটভূমি

নদীর অববাহিকার কারণে ফেনী জেলার মাটি পলি ও কাঁদাযুক্ত। আবার এই মাটির শোষণ ক্ষমতা নিম্ন থেকে মাঝারি পর্যায়ের, যার কারণে এই মাটি ধান চাষের খুবই উপযোগী। বর্ষা মৌসুমে ০.৯০ মিটার গভীরতার লোনা পানির আধিক্য দূরীকরণ, শুষ্ক মৌসুমে সেচযোগ্য পানির অভাব মিটানো, সন্দ্বীপ চ্যানেল হতে সমুদ্রের জোয়ারের লোনা পানি কৃষি জমিতে প্রবেশ প্রতিরোধ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, বর্ষায় বন্যার কবল হতে এলাকা রক্ষা করার লক্ষ্যে মুহুরী, কহুয়া, সিলোনিয়া, কালিদাস- পাহালিয়া ও ফেনী এ পাঁচটি নদীর নিম্ন অববাহিকায় বঙ্গোপসাগরের উপকূলে বেড়ীবাঁধ নির্মাণ ও রেগুলেটর বসিয়ে মুহুরী সেচ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত করা হয়। মেসার্স রহমান এন্ড এসোসিটেস লিঃ  এবং মেসার্স ইন্টারন্যাশনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানী, যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ১৯৭৩ সালে প্রকল্পের বিশদ সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সমাপ্ত করা হয় এবং ১৯৭৭-৭৮ সালে প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ হাতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ফেনী নদীর মোহনায় ক্লোজার ও রেগুলেটর নির্মাণ পূর্বক ১৯৭৭-৭৮ হতে ১৯৮৫-৮৬ সালে “মুহুরী সেচ প্রকল্প” বাস্তবায়ন করা হয়। বন্যা নিয়ন্ত্রণ, লবণাক্ততা প্রতিরোধ, শুষ্ক মৌসুমে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান, মৎস্য চাষ, ভূমি পুনরুদ্ধার করা মুহুরী সেচ প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য।

 

৩. জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্য

 

     ফেনী জেলার ব্র্যান্ডিংয়ের মূল উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ:

­­­

  • ফেনী জেলার স্বাতন্ত্র্য ও সম্ভাবনাকে বিকশিত করা;
  • ফেনী জেলার বিভিন্ন এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সমুদ্রের লোনা পানি প্রবেশ রোধ করা;
  • সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করা ও বর্ষা মৌসুমে নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে ফেনীর টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়ন করা;
  • উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ ও ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি এবং মৎস্য চাষের উৎপাদন বৃদ্ধি করতঃ ফেনীর তথা দেশের খাদ্য ঘাটতি হ্রাস করা;
  • মুহুরী সেচ প্রকল্প ও মুহুরী বাঁধকে পর্যটন শিল্প হিসেবে বিকশিত করা;
  • পক্ষীকূল ও বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা করা;
  • সামগ্রিকভাবে জেলার অর্থনৈতিক, সামাজিক, অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ডিজিটাল ফেনী বিনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা পালন করা।

 

৪. ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় নির্বাচনের যৌক্তিকতা

 

ফেনী জেলার ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় হিসাবে ‘মুহুরী বাঁধ’ নির্বাচনের যৌক্তিকতা নিম্নরূপ:

  • ফেনী নদী সীমান্ত রেখা এঁকে দিয়েছে ফেনী ও চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে ;
  • ‘মুহুরী বাঁধ’ কে ঘিরে রয়েছে এ জনপদের ভাঙ্গা গড়ার ইতিহাস ;
  • ফেনী জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ,
  • ফেনী জেলার রক্ষাবাঁধ ;
  • ফেনী জেলাকে লবণাক্ততা থেকে মুক্তকরণ ;
  • ভূমি পুনরুদ্ধার করা;
  • নদীর ভাঙন হতে মানুষের সম্পদের সুরক্ষা ;
  • ভূপৃষ্ঠস্থ মিঠা পানির বিশাল জলাধার;
  • এ জেলার কৃষি, মৎস্য ও বনজ সম্পদ সমৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে মুহুরী বাঁধ;
  • মৎস্য, কৃষি চাষ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত র‌য়েছে লাখো মানুষ ও তাদের জীবিকা ;
  • মুহুরী বাঁধটি ফেনীর অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত;
  • সোনাগাজী উপজেলায় দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে ফেনী নদীকে কেন্দ্র করে;
  • প্রায় ৪০,০০০ হেক্টর জমি কৃষি চাষের আওতাভুক্ত হয়েছে;
  • বর্তমানে ৯০০ কোটি টাকার ফসল উৎপাদিত হয় যা বাঁধ ও ফেনী রেগুলেটর নির্মাণের পূর্বে ছিল মাত্র ৫০ কোটি টাকা;
  • বাঁধ ও ফেনী রেগুলেটর নির্মাণের ফলে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাধার ও ২৪৫ টি সেচ খালে ব্যাপকভাবে মৎস্য চাষ;
  • কৃষিতে অতিরিক্ত ১.২ মিলিয়ন শ্রমিকের কর্মসংস্থান ;
  • প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি;
  • ০.৮ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প;
  • কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থ -সামাজিক উন্নয়ন;

 

৫. লোগো ও ট্যাগলাইন

মুহুরী বাঁধের গুরুত্ব অনুধাবন করে নিম্নোক্ত ট্যাগলাইন নির্ধারণ করা হয়েছে-

  • নদীর মুহুরী বাঁধ

ফেনী জেলার আশীর্বাদ’’

 

 

৬. মুহুরী বাঁধ এর বর্তমান অবস্থা

বন্যা নিয়ন্ত্রণ, লবণাক্ততা প্রতিরোধ, শুষ্ক মৌসুমে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা দেয়া, মৎস্য চাষ, ভূমি পুনরুদ্ধার করা মুহুরী বাঁধ এর উদ্দেশ্য। বেড়ীবাঁধ নির্মাণ ও রেগুলেটর বসানোর কারণে ফেনী জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রিত হয়েছে, ফেনী জেলাকে লবণাক্ততা থেকে মুক্ত করা হয়েছে, নদীর ভাঙন হতে মানুষের সম্পদের সুরক্ষা হয়েছে, ভূপৃষ্ঠস্থ মিঠা পানির বিশাল জলাধার তৈরী হয়েছে এবং বেড়ীবাঁধের দক্ষিণে বিশাল জমি পয়স্থি হয়েছে। উল্লেখ্য মুহুরী বাঁধটি ফেনীর অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়ে উঠেছে।

দীর্ঘ প্রায় ৩০/৩১ বছর সেচ কার্যক্রম প্রতিপালন করত: বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পার হওয়ার পর বর্তমানে মুহুরী সেচ প্রকল্পটিতে আর আগের মত সেচ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছিল না। প্রকল্পের সেচ খালগুলি প্রায় ভরাট, অবকাঠামোগুলি অচল ও নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। দীর্ঘ দিন ব্যবহার, সঠিক পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং যথাযথ সংস্কারের অভাবে বর্তমানে প্রকল্পটির কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হচ্ছিল না। ফলে প্রকল্পের সেচ এলাকা ও উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে কমতে থাকে। এই অবস্থা হতে পরিত্রাণের লক্ষ্যে উন্নত ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে উন্নত জাতের ফসল প্রবর্তন করে অধিক মাত্রায় ফসল উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ সরকার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (ADB) এর সহযোগিতায় Irrigation Management Improvement Project (IMIP) for Muhuri Irrigation Project (MIP) নামে একটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কাজ জুলাই-২০১৪ আরম্ভ হয়েছে এবং জুন-২০২০ অর্থ বছরে সমাপ্ত হবে। মুহুরী সেচ প্রকল্পের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করত: অধিক ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ফেনী জেলার পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া, ফেনী সদর ও সোনাগাজী উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।  

৭. কাঙ্ক্ষিত ফলাফল

  • মুহুরী বাঁধ তথা সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে ফেনী জেলায় বর্তমানে ২৩,০০০ হেক্টর জমি সেচের আওতায় এসেছে যা ৪০,০০০ হেক্টরে বৃদ্ধি করা যাবে। যার মাধ্যমে ৬০,০০০ মেট্রিক টন চাল বেশী উৎপাদন করা যাবে এবং ১৫,০০০ মেট্রিক টন শাক সবজি উৎপাদন করা যাবে। নতুন ফসল হিসাবে ভুট্টা ১,০০০ মেট্রিক টনসহ বিভিন্ন মসলার উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে;
  • প্রায় ২৪০ কোটি টাকার চাল, ৫০ কোটি টাকার সবজি, ২ কোটি টাকার ভুট্টা অতিরিক্ত উৎপাদিত হবে;
  • সেচ বৃদ্ধির মাধ্যমে পতিত জমি চাষের আওতায় আসবে। যার মাধ্যমে নতুন করে ১০,০০০ হেক্টর জমি চাষের আওতায় আসবে। বর্তমান শস্য নিবিড়তা ১৯৯% হতে বৃদ্ধি পেয়ে ২১৫% হবে বলে আশা করা যায়; সেচ প্রকল্পের নদী ও খালের পানি ব্যবহার করে এ অঞ্চলের বেশির ভাগ মৎস্যচাষি মাছ চাষ করেন। এ চাষিদের আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের কলাকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে প্রকল্পের উর্বর পানি ব্যবহার করে তাদের বর্তমান উৎপাদন প্রজাতি ভেদে ২-৩ মেঃ টনের স্থলে রুই জাতীয় মাছে  ৫- ৭ মেঃ টন এবং মনোসেক্স তেলাপিয়ার উৎপাদন ১২-১৫ মেঃ টনে উন্নীত করা সম্ভব;
  • ফেনী জেলার প্রাণিসম্পদের বিভিন্ন খাতে উৎপাদন ১০% বৃদ্ধি পাবে;
  • স্থানীয় পর্যটন শিল্পে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৫০% বৃদ্ধি পাবে;
  • স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান ৩০%বৃদ্ধি পাবে।

 

৮. মুহুরী বাঁধ ও সেচ প্রকল্পের শক্তি, দুর্বলতা, সুযোগ ও ঝুকিঁ বিশ্লেষণ (SWOT Analysis)

 

শক্তি

দূর্বলতা

১. বন্যা ও লবণাক্ততা প্রতিরোধ;

২. কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি;

৩. মৎস্য চাষে সেচ প্রকল্পের নদী ও খালের উর্বর পানির পর্যাপ্ত ব্যবহার;

৪. ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির জলাধার;

৫. স্থলজ ও জলজ  সমৃদ্ধ ইকোসিস্টেম;

৬. অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি;

১. পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব;

২. পয়ঃনিষ্কাশন ও সুপেয় পানির স্বল্পতা;

৩. শ্রমিকের অপ্রতুলতা;

সম্ভাবনা

ঝুঁকি

১. কৃষি ও মৎস্য ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জন;

২. জলবায়ু সহিষ্ণু বনায়নের মাধ্যমে বিরল ও বিলুপ্ত প্রজাতি সংরক্ষণ;

৩.পক্ষীকূল ও বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ও প্রজনন ক্ষেত্র বৃদ্ধি;

৪. উন্নত পয়ঃ নিস্কাশন ব্যবস্থা;

৫. পর্যটন শিল্পের বিকাশ;

৬. ভূপৃষ্ঠস্থ পানির ব্যবহারের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো;

৭.বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশন;

১. সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়;

২. উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সমস্যা;

৩. নদীভাঙ্গন;

৪. নিরাপত্তার অভাব;

 

 

 

৮.১ শক্তি

  • বন্যা ও লবণাক্ততা প্রতিরোধ: মুহুরী বাঁধ নির্মাণের ফলে প্রায় ৪০,০০০ হেক্টর এলাকাকে বন্যামুক্তকরণ ও সমুদ্রের লবনাক্ত পানি প্রবেশের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। ফলশ্রুতিতে জেলার কৃষিজ, প্রাণিজ, মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে।   

 

  • কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি: মুহুরী বাঁধের কারণে ফসল উৎপাদন ও ফসল নিবিড়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষিজ উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে কৃষকের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন, পুষ্টির নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়েছে। বাঁধের কারণে  ভাটিতে চর সৃষ্টি হচ্ছে যার মাধ্যমে দিন দিন কৃষি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
  • মৎস্য চাষে সেচ প্রকল্পের নদী ও খালের উর্বর পানির পর্যাপ্ত ব্যবহার: মুহুরী সেচ প্রকল্প এলাকায় বসবাসরত মৎস্যজীবি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিকল্পে মুহুরী প্রকল্প একটি যুগান্তকারী স্থাপনা যা এদেশের অপরাপর জেলা হতে ফেনী জেলাকে ভিন্নতা এনে দিয়েছে। সেচ প্রকল্পের আওতায় উন্নয়নকৃত উর্বর জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে তীরবর্তী সুফলভোগী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হচ্ছে।

 

  • ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির জলাধার: ভূগর্ভে লবণাক্ততা পানির স্থর নীচে নেমে ভূপৃষ্ঠস্থ সুপেয় পানির জলাধার তৈরী হয়েছে এবং মুহুরী নদীর পানি যথাযথ পরিশোধনের মাধ্যমে জনগণের মধ্যে সরবরাহ করা যেতে পারে।

 

  • স্থলজ ও জলজ  সমৃদ্ধ ইকোসিস্টেম: পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার্থে একটি স্থলজ ও জলজ  সমৃদ্ধ ইকোসিস্টেম বজায় রাখছে।

 

  • অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি: মুহুরী নদী ও বাঁধ সংলগ্ন এলাকাটি অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের আধাঁর যা পর্যটকদের বিমোহিত করবে।

 

৮.২ দুর্বলতা

  • পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতার অভাব: পরিবেশ দূষণ ও রক্ষা বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতার যথেষ্ট অভাব রয়েছে। ফলে মুহুরী প্রকল্প এলাকাটি স্থানীয় পর্যটকদের মূল আকর্ষণ হলেও সচেতনতার অভাবে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে।

 

  • য়ঃনিষ্কাশন ও সুপেয় পানির স্বল্পতা: মুহুরী নদীর সৌন্দর্য্য উপভোগে প্রতিদিন অনেক পর্যটক সেখানে নদী তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমণ করছেন। কিন্তু পর্যটকদের জন্য যথাযথ স্যানিটেশন ও  সুপেয় পানির উৎসের অভাব রয়েছে।

 

  • শ্রমিকের অপ্রতুলতা: বর্তমানে কৃষিজ ক্ষেত্রে কাজ সম্পাদনের জন্য শ্রমিকের অভাব রয়েছে। যার ফলে উৎপাদন সময় ও ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে।

৮.৩ সম্ভাবনা

  • কৃষি ও মৎস্য ক্ষেত্রে সমৃদ্ধি অর্জন: জেলা-ব্র্যান্ডিং এর পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে কৃষি ও মৎস্য ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।  চাষিদের আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের কলাকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হলে প্রকল্পের উর্বর পানি ব্যবহার করে তাদের বর্তমান উৎপাদন অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে।
  • জলবায়ু সহিষ্ণু বনায়নের মাধ্যমে বিরল ও বিলুপ্ত প্রজাতি সংরক্ষণ: বনায়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অনেক বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে প্রকল্প এলাকা পরিগণিত হবে।

 

  • পক্ষীকূল ও বন্য প্রাণীর আবাসস্থল ও প্রজনন ক্ষেত্র বৃদ্ধি: পক্ষীকূল ও বন্য প্রাণীর আবাসের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রজনন ক্ষেত্র ও আবাসস্থল বৃদ্ধি সম্ভব হবে। এছাড়া Bird sanctuaries সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা হবে। 

 

  • উন্নত পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা: পর্যটকদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের উপভোগের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি এলাকায় পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে উন্নত স্যানিটেশনের ব্যবস্থার সুযোগ উন্মোচিত হবে।

 

  • পর্যটন শিল্পের বিকাশ: প্রকল্প এলাকাটি অপার সৌন্দর্য্যের আধাঁর হওয়ায় পর্যটন শিল্প বিকশিত হবে।  এর ফলে অর্থনীতিতে বিরাট ভূমিকা রাখবে।

 

  • ভূপৃষ্ঠস্থ পানির ব্যবহারের ফলে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো : ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিন দিন নিচের দিকে নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানির স্বল্পতা দেখা দিচ্ছে। তাই এর বিকল্প হিসেবে ভূ-পৃষ্ঠস্থ পানির ব্যবহারের মাধ্যমে এ স্বল্পতা রোধ করা যেতে পারে।

 

  • বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধে কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশন: গাছ বায়ু থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে। যানবাহনের ক্রমাগত ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্পায়ন ও জীবাশ্ম জ্বালানী ব্যবহারের কারণে নিঃস্বরিত বিষাক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস গাছ-পালার শরীরে জমাট বদ্ধ হয়ে গাছের বৃদ্ধিসাধন করবে। প্রকল্প এলাকায় অধিক বনায়নের ফলে এই কার্বন সিকোয়েস্ট্রেশন সৃষ্টি হবে।

৮.৪ ঝুঁকি

  • সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ বিপর্যয়: দর্শনার্থীদের ব্যবহৃত অপ্রয়োজনীয় অংশ যেমন- খাবারের উচ্ছিষ্টাংশ, চিপসের প্যাকেট, পানির বোতলসহ বিভিন্ন পণ্যের মোড়ক যত্রতত্র ফেলার কারণে প্রকল্প এলাকার পরিবেশ দূষণের  আশংকা রয়েছে।
  • উৎপাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে সমস্যা: প্রকল্প এলাকায় উৎপাদিত পণ্যের যথাসময়ে বাজারজাতকরণ সম্ভব না হলে কৃষকের অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে।

 

  • নদীভাঙ্গন: প্রতিনিয়ত নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে কৃষিজ, বনজ ও মৎস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ব্যহত হবে।

 

  • নিরাপত্তার অভাব: প্রকল্প এলাকায় পর্যটকদের জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা না গেলে পর্যটন শিল্প বিকাশে বাঁধা পাবে।

 

৯. জেলার সর্বস্তরের জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের সাথে জেলা-ব্র্যান্ডিং সম্পৃক্তকরণ

            মুহুরী বাঁধকে কেন্দ্র করে জেলা-ব্র্যান্ডিং পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে কৃষি, মৎস্য, পরিবেশ ও পর্যটন শিল্পের বিকাশের ফলে জেলার জনগণের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। কৃষি, মৎস্য, পশুপালন ও পর্যটন ক্ষেত্রে জীবিকা নির্বাহের মাধ্যমে জেলার বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে। মুহুরী বাঁধকে ঘিরে স্থানীয় জনগণের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্মকান্ডের সাথে সর্বস্তরের জনসাধারণের সম্পৃক্ততা বাড়বে এবং এ জেলা  অধিবাসীদের কাছে গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে যা জেলা ব্র্যান্ডিং এর মূল লক্ষ্য পূরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

১০. জেলা ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়ন কর্ম পরিকল্পনা

 

     জেলা ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়নের জন্য তিন বছর মেয়াদী নিম্নোক্ত কর্ম পরিকল্পনা অনুসরণ করা হবে:

 

স্বল্প মেয়াদী-৬ মাস

মধ্য মেয়াদী- ১ বছর ৬ মাস

দীর্ঘ মেয়াদী- ৩ বছর

 

কর্ম-পরিকল্পনা ছক

নং

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদন সূচক

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি

সময়সীমা

সহায়তাকারী

১।

জেলা-ব্র্যান্ডিং এর জেলা কমিটি গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময়

মতবিনিময় অনুষ্ঠিত

--

এপ্রিল ২০১৭

এটুআই  এবং জেলা প্রশাসন, ফেনী

২।

জেলা কমিটি গঠন

কমিটি গঠিত

--

জুন ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

৩।

একজন জেলা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ

ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারিত

জেলা কমিটি

জুন ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

৪।

ব্র্যান্ডিং বিষয় ও ট্যাগলাইন নির্ধারণের জন্য কর্মশালার আয়োজন

কর্মশালার আয়োজিত

জেলা কমিটি

জুন ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

৫।

নাম, লোগো ও ট্যাগ-লাইন নির্ধারণ

নির্ধারিত

জেলা কমিটি

জুন ২০১৭

জেলা প্রশাসন, ফেনী এর ফেসবুক গ্রুপ Feni Citizen’s Vioce এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী

৬।

কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন উপ কমিটি গঠন

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

৭।

গবেষণা উপ কমিটি গঠন

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

৮।

অবকাঠামো সংক্রান্ত উপ কমিটি গঠন

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

৯।

প্রচার উপ কমিটি

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

১০।

 

আইন-শৃঙ্খলা উপ কমিটি

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

১১।

প্রকাশনা উপ কমিটি

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

১২।

বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন উপ কমিটি

উপ কমিটি গঠিত

জেলা কমিটি

জুলাই ২০১৭

--

১৩।

প্রচার কার্যক্রম গ্রহণ

প্রচার প্রচারণা চলমান

প্রচারণা উপ কমিটি

জুলাই ২০১৭

জেলা প্রশাসন, ফেনী এর ফেসবুক গ্রুপ Feni Citizen’s Vioce এবং জেলার বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া

১৪।

জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন

কর্মপরিকল্পনা প্রণীত

কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন উপ কমিটি

জুলাই ২০১৭

জেলা কমিটি

১৫।

‘মুহুরী প্রকল্পের বাঁধ’ কে ব্র্যান্ড করার ক্ষেত্রে  SWOT বিশ্লেষণ

SWOT বিশ্লেষিত

কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন উপ কমিটি

জুলাই ২০১৭

জেলা কমিটি

১৬।

বিভাগ ভিত্তিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রণয়ন

গবেষণা প্রতিবেদন প্রণীত

গবেষণা প্রণয়ন উপ কমিটি

আগষ্ট ২০১৭

জেলা কমিটি

১৭।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন

 

পরিকল্পনা প্রণীত

অবকাঠামো সংক্রান্ত উপ কমিটি

আগষ্ট ২০১৭

জেলা কমিটি ও অন্যান্য উপ কমিটিসমূহ

১৮।

প্রকল্প অঞ্চলে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম গ্রহণ

কার্যক্রম গৃহীত

আইন-শৃঙ্খলা উপ কমিটি

আগষ্ট ২০১৭

জেলা কমিটি ও অন্যান্য উপ কমিটিসমূহ

১৯।

জেলা-ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত ব্র্যান্ডবুক প্রণয়ন

ব্র্যান্ডবুক প্রণীত

প্রকাশনা উপ কমিটি

আগষ্ট ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

২০।

উদ্দেশ্য ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নির্ধারণ

উদ্দেশ্য ও কাঙ্ক্ষিত ফলাফল নির্ধারিত

বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন উপ কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

২১।

পণ্য ও সেবার বর্তমান উদ্যোক্তা, বাজার ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক গবেষণা প্রতিবেদন প্রণয়ন

প্রতিবেদন প্রণীত

গবেষণা উপ কমিটি

নভেম্বর ২০১৭

জেলা কমিটি

২২।

জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ব্র্যান্ডিংএর সাথে সম্পৃক্তকরণের অগ্রগতির প্রতিবেদন

প্রতিবেদন প্রণীত

গবেষণা উপ কমিটি

নভেম্বর ২০১৭

জেলা কমিটি

২৩।

সম্ভাব্য বাজার বিশ্লেষণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন

 

প্রতিবেদন প্রণীত

গবেষণা উপ কমিটি

নভেম্বর ২০১৭

জেলা কমিটি

২৪।

পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রণীত

বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন উপ কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

২৫।

প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন

কেন্দ্র স্থাপিত

জেলা কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৮

জেলার সকল অংশীদার

২৬।

উদ্যোক্তাদের সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণ

ব্যবস্থা গৃহীত

জেলা কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৮

ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান

২৭।

উদ্যোক্তা সম্মেলন আয়োজন

সম্মেলন আয়োজিত

জেলা কমিটি

ডিসেম্বর ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

২৮।

ফেনীতে জেলা-ব্র্যান্ডিং মেলা আয়োজন

মেলা আয়োজিত

প্রচার উপ কমিটি

ফেব্রুয়ারি ২০১৮

জেলা কমিটি

২৯।

উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তা এবং সেবাসমূহ সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা

ব্যবস্থা গৃহীত

জেলা কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

৩০।

মুহুরী বাঁধকে ঘিরে বিনোদন কেন্দ্র স্থাপন

বিনোদন কেন্দ্র স্থাপিত

অবকাঠামো সংক্রান্ত উপ কমিটি

জুন ২০১৮

জেলা কমিটি ও পর্যটন কর্পোরেশন

৩১।

জেলা ওয়েব পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণা

প্রচারণা কার্যক্রম চলমান

প্রচারণা উপ কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

৩২।

বাস্তবায়ন তদারকি ও পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

প্রতিবেদন প্রণীত

বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন উপ কমিটি

চলমান

জেলা কমিটি

৩৩

অগ্রগতি মূল্যায়ন ও প্রতিবেদন প্রণয়ন

প্রতিবেদন প্রণীত

বাস্তবায়ন তদারকি ও মূল্যায়ন উপ কমিটি

চলমান

জেলা কমিটি

১১. প্রচার কার্যক্রম

 মুহুরী প্রকল্পের বাঁধকে ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে পর্যাপ্ত প্রচারণার ব্যবস্থা করা হবে। প্রচারণার জন্য নিম্নোক্ত কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে:

­­

ক্রমিক নং

কার্যক্রম

সময়সীমা

দায়িত্ব

১।

বিজ্ঞাপন (ব্যানার/বিলবোর্ড)

জুলাই, ২০১৭

প্রচার উপ কমিটি

২।

বিজ্ঞাপন (টিভি, রেডিও, খবরের কাগজ)

চলমান

প্রচার উপ কমিটি

৩।

জেলা প্রশাসকের দাপ্তরিক ফেইসবুক এবং জেলা প্রশাসন পরিচালিত ফেইসবুক গ্রুপ (Feni Citizen’s Voice) মাধ্যমে প্রচার

চলমান

প্রচার উপ কমিটি



জেলা ব্র্যান্ডিং ভিডিও গ্যালারী




Share with :

Facebook Twitter