Wellcome to National Portal
মেনু নির্বাচন করুন
Main Comtent Skiped

পুরাকীর্তি সম্পর্কিত

প্রাচীনতম মন্দির

পরেশ চন্দ্র রায় চৌধুরী, দীনবন্ধু রায় চৌধুরী, সুদর্শন রায় চৌধুরী ও ধীরেন্দ্র রায় চৌধুরী কর্তৃক দানকৃত জমিতে বাশুরা গ্রামে ১৯৭২ সনে ফুলগাজী কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৮ সনে এটি সরকারী কলেজ করা হয়। কলেজের পশ্চিম পাশে রয়েছে বহু পুরানো শ্মশান ও মন্দির। বাংলা ১২৫২ সনে মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। আগে এ মন্দিরের পাশে প্রতিবছর মেলা বসত। বর্তমানে এখানে আর মেলা বসানো হয়না। মন্দিরের সামনে ৭ একর জমিতে একটি দীঘি রয়েছে। এখানে প্রতিবছর প্রচুর অতিথি পাখি আসে।

পাগলা মিঞাঁর মাজারঃ

দরবেশ পাগলা মিঞাঁর প্রকৃত নাম ছিল সৈয়দ আমীর উদ্দিন(রঃ) । ১৮২৩ সালে ফাযিলপুর ছনুয়া গ্রামে তাঁর জন্ম  হয় এবং১৮৮৭ সালেমাত্র৬৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন । প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের প্রথমবৃহস্পতিবারে  (তাঁর  জন্মদিনে)  তাঁর  মাজারে ওরশ  হয় । সেখানে জাতি ধর্মনির্বিশেষে হাজার হাজার লোক  সমবেত হয় । তিনি আধুনিক ফেনী জনপদের  মানুষেরজীবন ও জীবিকার ওপরঅপরিসীম প্রভাব রেখে গেছেন । তাঁর  আধ্যাত্নিক শক্তি সম্পর্কে  ফেনী  অঞ্চলে বহু জনশ্রুতি প্রচলিত রয়েছে ।  এখনো প্রতিদিন তাঁর মাজারে মানুষ দলে  দলে ফাতেহা পাঠ করে,জেয়ারত করে এবং ‘‘মানত’’করে ।

চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ

ফেনীর ছাগলনাইয়া থানার বিভিন্ন স্থানে বহু প্রাচীন কীর্তি বিদ্যমান। এসব প্রচীন কীর্তির মধ্যে মসজিদ, মন্দির, ইটের নির্মিত দালান, মাজার, দীঘি, রাস্তা, পাথর, প্রাচীন বৃক্ষ অন্যতম। মোঘল ও নবাবী আমলে নির্মিত এসব প্রাচীনকীর্তির পাশাপাশি ত্রিপুরার শাসক “ভাটির বাঘ” শমসের গাজীর সময়ে নির্মিত ও প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন স্থাপত্য কীর্তিও এএলাকার গৌরব হিসাবে কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। ছাগলনাইয়া থানার চাঁদগাজী এলাকা মোগল আমলে বেশ উন্নত ছিল।এখানেই রয়েছে তিনশত বছরের পুরোনো চাঁদগাজী ভূঁঞা মসজিদ।চাঁদগাজী ভূঁঞা ছিলেন মোগল আমলে ফেনীর পূবর্অঞ্চলে এক স্বনামধন্য জমিদার। জানা যায়, আঠার শতকের গোড়ার দিকেতিনি প্রথম নদী ভাঙ্গনের কারণে প্রচুর ধন-সম্পদ ও লোকলস্করসহ দুরদেশ থেকে এসে বতর্মান ছাগলনাইয়ার মাটিয়াগোধাগ্রামে বসতি স্থাপন করেন।

 

সাত মন্দির 

সাত মন্দির ছাগলনাইয়ায় ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য শিল্পের নিদর্শন হিসেবে সাত মন্দির ঘোষণা করছে নিজের অস্তিত্ব।ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার পশ্চিম ছাগলনাইয়া গ্রামে এটি অবস্থিত। নিজ চোখে না দেখলে উপলব্ধিকরা যাবেনা এর অপুর্ব সৌন্দর্য্য।ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতি যখন সংকটময় মুহুর্ত অতিক্রম করছে। যখন ম্যার জন শোরের পর লর্ড মনিংটন অর্থ্যাৎলর্ড ওলেয়েসলী গভর্ণর জেনারেল হয়ে ভারতে আগমন করেন, ঠিক তখনই ফ্রান্সের সাথে ইংল্যান্ড এক মহাযুদ্ধে লিপ্ত হয়।নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দিগি¦জয় এবং তার ভারত বিজয়ের কল্পনায় ইংল্যান্ড সস্ত্রস্ত; ভারতের পেশোয়া, সিদ্ধিয়া, হোলকার ও নিজাম বৃটিশ শাসনের আগে ভারতীয় উপমহাদেশে (তথা ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ) মুসলীম শাসকরাই রাষ্ট্র পরিচালনা করতেন।তাদের মধ্যে বাংলার বীর শমসের গাজী অন্যতম। তার জম্মস্থান ছিল ছগলনাইয়া (ফেনী) উপজেলার চম্পকনগরে। এই জম্মস্থানছিল বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পড়েছে। এখানে তার স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক সুরঙ্গ পথ, শমসের গাজী দিঘী, এবংতারই খনন করে তৈরী করা এক খোইল্লা দিঘীসহ প্রবেশ পথ, বসত ঘরের চিহ্ন হিসাবে পড়ে আছে। এটি ভারত ও বাংলাদেশসীমান্তবর্তী পাহাড়ে। শমসের গাজীর বসত ঘরের দঃ পূর্বে যে দিঘী রয়েছে তার নাম শমসের গাজী দিঘী। এই দিঘীতে তারস্ত্রী সহ গোসল করতেন। স্ত্রী ছিলেন পদা শীল। শমসের গাজী পর্দাকে পছন্দ করতেন । স্ত্রীর পর্দার জন্য এই সুরঙ্গপথটি তৈরি করেন। যাতে তার সৌন্দর্য্যরে প্রতি কারও দৃষ্টি না পড়ে। সে জন্য এ পথে দিঘীতে যাওয়া আসা করতেন।